বিড়াল পালনে সাধারণ কিছু তথ্য :

 বিড়াল পালনে সাধারণ কিছু তথ্য : 



১। প্রতি তিন মাস অন্তর কৃমির ওষুধ খাওয়ান।

২। বয়স ২-২.৫ মাস হলে ফ্লু এর ভ্যাক্সিন দিন৷ র‍্যাবিসের ভ্যাক্সিন ৩ মাস বয়সে দিন।

৩। ঘন ঘন গোসল দেয়া থেকে বিরত থাকুন।  প্রয়োজন অনুসারে ২-৬ মাসে একবার দিন৷  মানুষের শ্যাম্পু দিয়ে গোসল দিবেন না। 

৪। ড্রাই ক্যাট ফুড সম্ভব হলে এড়িয়ে চলুন।

৫। মশলা, অতিরিক্ত লবণ,  তেল, চকোলেট, ঘি ইত্যাদি খাবার পরিহার করুন।

৬। মাছ/মাংসের কাটা/হাড্ডি বেছে খেতে দিন।

৭। কয়েকদিন পরপর নখ কেটে দিন।

৮। প্রাপ্তবয়স্ক বিড়ালের নিউটার/স্পে করিয়ে দিন 

৯। সাধারণ হাচি-কাশি বা শরীর গরমে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।

১০। নাপা/প্যারাসিট্যমল জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন 



১১। যেসব বিড়াল হঠাৎ করে খাওয়া দাওয়া করে না এবং বমি করে এসকল বিড়ালকে সুস্থ বিড়াল থেকে আলাদা রাখুন।

১২। বিড়ালের হঠাৎ পাতলা পটি হলে ঘরোয়া ভাবে মাংসের সাথে কাচা কলা সিদ্ধ করে খাওয়ান।

১৩। পটি শক্ত হয়ে কন্স্টিপেশন হলে মিষ্টি কুমড়া ও পেঁপে সিদ্ধ খাওয়ান।

১৪। সাধারণত মাল্টিভিটামিন খাওয়ালে পটি নরম হয়, এটা নরমাল।

১৫। ঘরের বিড়াল বাহিরে যাওয়া আসা করলে অবশ্যই র‍্যাবিস বা জলাতঙ্কের টিকা দিন বছরে একবার।  মনে রাখবেন মানুষের জলাতঙ্ক হলে বাঁচার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। 

১৬। বিড়ালের গর্ভধারণ সময় ৬২-৬৫ দিন।  এসময় কৃমির সমস্যা দেখা দিলে সব ধরনের কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যাবে না৷  নির্দিষ্ট কিছু কৃমির ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শে দেয়া যাবে।  নির্দিষ্ট ওষুধ বাদে বাকিগুলো abortion/miscarriage করার জন্য দায়ী। 

১৭। বিড়াল অসুস্থ হলে,  খাওয়া দাওয়া না করলে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।

১৮। বাচ্চা ডেলিভারিতে সাধারণত ১২ থেকে ৩৬ ঘন্টা সময় বা তারও বেশি লাগতে পারে।  এসময় বিড়ালকে আমিষ জাতীয় খাবার বা গ্লুকোজ খাওয়ান। 

১৯। কয়েকদিন পরপর কান পরিষ্কার করে দিন৷  কটোন বাডে নারিকেল তেল লাগিয়ে কান পরিষ্কার করুন।

২০। গর্ভবতী নারীরা বিড়ালের পটি পরিষ্কার থেকে বিরত থাকুন। 

২১। ফ্লু ছাড়াও মানুষের মতো বিড়ালের রোগের অভাব নেই।  মানুষের মতো বিড়ালদেরও হার্ট, ফুসফুস,  কিডনি, লিভার,  স্প্লিনের রোগ হতে পারে।  সকল রোগের সাধারণ লক্ষণ খাওয়া বন্ধ করে দেয়া।  তাই সব ক্ষেত্রেই ফ্লু হয়েছে বলা যাবে না। ( এ সম্পর্কে পেইজের পূর্বের পোস্ট দেখুন)

২২। যেকোনো ওষুধ খাওয়ানোর পূর্বে সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ নিন।  কারণ একজন ভেট ৫ থেকে ৭ বছর পড়ালেখা করে দেশ-বিদেশ থেকে ট্রেনিং নিয়ে তারপর ভেট হন।  অবশ্যই একজন ভেট বিভিন্ন ওষুধের ব্যাপারে অবগত আছেন।

Collected..

Comments